৭ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ শুক্রবার ২৩ অগাস্ট ২০১৯
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ »
Home / টিপস্ / জেনে নিন, ছাদে বেদানার চাষ পদ্ধতি

জেনে নিন, ছাদে বেদানার চাষ পদ্ধতি

আনার বা বেদানা ফল খেতে কে না পছন্দ করে? খেতে যেমন সুস্বাদু দেখতে খুবই চমৎকার। তাই শখের বসে অনেকে বাসাবাড়ির ছাদে এই গাছ লাগিয়ে থাকেন। বাংলাদেশের মাটি এবং আবহাওয়া বেদানা চাষের জন্যও বেশ উপযোগী।

বাসার ছাদে টবে বা ড্রামে খুব সহজেই লাগতে পারেন বেদানার গাছ। যা আপনার ছাদের সৌন্দর্য্য বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন মেটাবে ফলের চাহিদা।

ছাদের আনার বা বেদান চাষে ’ফার্মস এন্ড ফার্মা’ এর পাঠকের জন্য বিশেষ টিপস। এক্ষেত্রে যা যা করতে হবে-

১) প্রথমেই ছাদের ধারন ক্ষমতা সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। কারন দুর্বল ছাদে গাছ লাগানো উচিত হবে না।

২) গাছ লাগানোর জন্য মাঝারি আকারের ড্রাম সংগ্রহ করতে হবে এবং ড্রামের নিচে ৪-৫ টি ছিদ্র করে দিতে হবে যেন ড্রামে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে। ড্রামের উচ্চতা দেড় ফুট হলে ভালো হয়।

৩) অবশ্যই ড্রামের তলায় করা ছিদ্র গুলো ছোট ছোট ইটের টুকরা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে, এতে করে পানি নিষ্কাশনের সুবিধা হবে।

৪) ড্রামে মাটি নেয়ার আগেই ড্রামটিকে সঠিক রোদযুক্ত জায়গায় নিয়ে বসাতে হবে। কারন মাটি নিয়ে ফেললে ড্রামটি সঠিক জায়গায় স্থানান্তর করতে অসুবিধা হবে।

৫) দুইভাগ বেলে দো-আঁশ মাটির সাথে একভাগ জৈব সার ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। তার সাথে ৪০ গ্রাম টি এস পি সার, ৪০ গ্রাম পটাশ সার এবং ১৫০-২০০ গ্রাম হাড়ের গুড়া মাটি এবং জৈব সারের মিশ্রনের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে পানি দিয়ে ১০-১৫ দিন রেখে দিতে হবে। খুব সহজেই কিভাবে জৈব সার তৈরি করতে হবে তার জন্য দেখতে পারেন।

৬) এরপর ড্রামের মাটিকে আলগা করে আবার ৩-৫ দিন রেখে দিতে হবে। (নোট: এই ১৫-২০ দিন যেন ড্রামের মাটি অতিরিক্ত পানিতে ভেজে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে)

৭) এরপর সুস্থ-সবল কলম বা চারা রোপন করতে হবে। এবং খেয়াল রাখতে হবে গাছের গোড়া থেকে যেন পুরোনো মাটি ঝরে না যায়।

৮) গাছের গোড়া ড্রামের মাটি হতে কিছুটা উঁচু করে লাগাতে হবে এবং ড্রামের উপরিভাগ কিছুটা খালি রাখতে হবে যাতে করে পানি দিতে সুবিধা হয়।

৯) নতুন লাগানো গাছ যাতে করে হেলে না পড়ে এজন্য শক্ত কাঠির সাথে গাছ/চারা বেধে দিতে হবে।

১০) অতিবৃষ্টিতে যেন গাছের গোড়ায় পানি না জমে এবং অনাবৃষ্টিতেও যেন আবার গাছের গোড়ার মাটি শুকিয়ে যায়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

১১) বছরে অন্তত ৬-৭ বার সরিষার খৈল ভিজিয়ে রেখে সে পানি গাছের গোড়ায় দিতে হবে।

১২) বর্ষার শেষে ২ ইঞ্চি প্রস্থে এবং ৬ ইঞ্চি গভীর পর্যন্ত মাটি ফেলে দিয়ে নতুন সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে তা ভরে দিতে হবে।

১৩) গাছে ডালপালা বেশি হলে দুর্বল ডালপালা চাটাই করে দিতে হবে এতে করে নতুন কুড়িতে বেশি করে ফল আসবে।

১৪) গাছে বেশি ফল আসলে বাড়তি খুটি দিয়ে গাছ ভালোভাবে বেঁধে দিতে হবে।

 

ফার্মসঅ্যান্ডফার্মার২৪ডটকম/জাকির

আরও পড়ুন...

hen-house-poultry-farming

মুরগি পালনের জন্য পরিবেশ

৪. মুরগি রাখার ঘর বা সেডটিতে ন্যূনতম সুযোগ সুবিধা রয়েছে ( জাত ও সংখ্যা অনুযায়ী …