গাভীকে ব্রাশ করানো বা গ্রোমিং এর উপকারিতা

51

১/দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়:
গাভীকে ব্রাশ করানোর ফলে গাভীর শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় যার ফলে ওলানে রক্ত চলাচল বাড়ে এবং গাভীর দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে সমস্ত গাভীকে নিয়মিত ব্রাশ করানো হয়েছে সে সমস্ত গাভী প্রতিদিন আধা লিটার থেকে এক লিটার পর্যন্ত দুধের প্রোডাকশন বৃদ্ধি পেয়েছে।

২/রোগের প্রকোপ কমে:
গাভী কে নিয়মিত ব্রাশ করানোর ফলে গাভীর শরীরে যেসব এক্সটারনাল প্যারাসাইট থাকে সেগুলি দূরীভূত হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে সকল গাভীকে নিয়মিত ব্রাশ করানো হয়েছে সে সমস্ত গাভির ম্যাসটাইটিস হওয়ার প্রবণতা দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ল্যাকটেশন এ 30% পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।

৩/গাভীর শারীরিক চাপ কমে:
নিয়মিত ব্রাশ করানো হলে গাভী তার শারীরিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে যার ফলে প্রডাকশন বৃদ্ধি পায়।

৪/গাভীকে ঠান্ডা রাখে বা আরামদায়ক পরিস্থিতি বজায় রাখে:
বেশিরভাগ সময়ই গাভীর পিছনের সাইডে বিভিন্ন কাদা, গোবর ইত্যাদি জাতীয় ফরেন পদার্থ তারা চুলকানি বা ইরিটেশন তৈরি করে। নিয়মিত ব্রাশ করানো হলে গাভী সবসময় আরামদায়ক পরিস্থিতি বজায় থাকে এবং ঠান্ডা থাকে। যার ফলে গাভীর উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

ডঃ মোঃ শাহিন মিয়া
ভেটেরিনারি সার্জন
বিসিএস প্রাণিসম্পদ
চৌদ্দগ্রাম কুমিল্লা।

ফার্মসএন্ডফার্মার/৩০জুলাই২০