শীতকালীন গরুর পরিচর্যা

48

১/ ভোর ৫ টার সময় খামারে আসতে হবে।
২/ গরুর মাজা প্রর্যন্ত সুন্দর ভাবে ধুয়ে দিতে হবে, সাথে গাভী হলে ওলান টা ভাল করে ধুয়ে দিতে হবে।
৩/ তারপরে গরুকে শুকনা খর কিংবা কাচা ঘাস দিতে হবে,ঘাস দেয়ার কারন, গরুর মুখটা নারা চারা করলে গরুর শরীরে একটু গরম অনুভুতি চলে আসবে।

৪/ সকাল ৮ টার দিকে গরুকে দানাদার খাদ্য দিতে হবে।সেই সাথে গাভী যদি হয় তালে গাভীর দুধ দোহন করতে হবে।
৫/ তার পরে গরুকে ঘরে রেখে লোক জন বের হয়ে আসতে হবে।
৬/ আবার ঠিক ৯.৩০ থেকে ১০ টার মধ্যে গরুকে গোসল করাতে হবে।
৭/ নিশ্চই গরুকে গোসল করানোর আগে তাকে রোদ্রে রাখার ব্যাবস্হা করতে হবে।
৮/গরুর গাঁ শুখিয়ে গেলে আবার গোয়াল ঘরে রাখতে হবে।
৯/ গরুকে তখন শুকনা খর খেতে দিতে হবে। বেলা ১১ থেকে ১২ টা প্রর্যন্ত।
১০/ গরুকে বেলা ২ টা প্রর্যন্ত রেস্টে রাখতে হবে।
১১/ তার পরে আবার গরুকে শুকনা খড় কিংবা কাঁচা ঘাঁস খাওয়াতে হবে
১২/তার পরে আবার গরুকে দানাদার খাদ্য দিতে হবে তাও আবার বেলা ৩ টার পরে।
১৩/ বেলা ৪ টার মধ্যে গাভী যদি হয় তার দুধ দোহন করতে হবে।
১৫/আগে আমরা গরুকে বস্তার চটি পরাতাম এখনও সেটা করতে পারেন অথবা একটু মোটা দেখে কম্বল কিনে গুরুর গায়ের সাথে বেধে দিতে হবে।

১৬/ তার পরে খামারের চার পাশে যদি ফাকা থাকে, তাহলে চারিপাশে পর্দা দিতে হবে যেন বাতাস না ঢোকে।
১৭/ সন্ধা হলে বিদুৎ এর বাল্প বেশী করে খামারে জ্বালিয়ে দিতে হবে। এতে করে গরুর অনেকটাই গরম লাগবে।
১৮/ বিশেষ করে খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার গরুর গোয়াল ঘরটা সেঁত সেঁতে ভেজা যেন না থাকে, এমন কি গোয়াল ঘরে কোন রকমে পানি ফেলা যাবে না।যদি গরুর গোবর বা ভেজা থাকে তাহলে ঝারু দিয়ে পরিস্কার করে দিতে হবে।

ফার্মসএন্ডফার্মার/১৮নভেম্বর২০২০