৩১ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯
Home / কৃষি বিষয়ক / পিরোজপুরের সুপারি চাষিরা পাচ্ছে না ন্যায্যমূল্য

পিরোজপুরের সুপারি চাষিরা পাচ্ছে না ন্যায্যমূল্য

সুপারি

পিরোজপুরে সুপারির ফলন ভাল হয়। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সুপারির বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না চাষিরা । বাজারে জমজমাট চলছে সুপারি বেচা-কেনা। তবে চাষিদের অভিযোগ, বিদেশি সুপারি আমদানি করায় দেশীয় সুপারির দাম কমে যাচ্ছে। তাই ফলন ভালো হলেও ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না তারা। এ দিকে চাষিদের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য জেলা কৃষি অফিস দিচ্ছেন নানা পরামর্শ।

এক সময় দেশে উৎপাদিত সুপারির বড় অংশ পিরোজপুর সদর উপজেলার চলিশা বাজারে বেচা-কেনা হতো বর্তমানে জেলার গাজিরহুলা, চৌরাস্তা, তালুকদারহাট, মিয়ারহাট, ধাবড়ী, নতুনবাজার, কেউন্দিয়া ও চলিশা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ছোট বড় হাটে সুপারি কেনা-বেচা হয়। এ সকল হাটে সারা বছরই সুপারি কেনা-বেচা চলে।

তবে শুকনো সুপারির মৌসুম ফাল্গুন থেকে আষাঢ় পর্যন্ত এবং পাকা সুপারি মৌসুম শ্রাবণ থেকে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত। এ সময় বেশির ভাগ সুপারি বেচা-কেনা হয়ে থাকে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সুপারি কিনে ভারতসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠায়। আবার বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরাও এখানে আসেন সুপারি কিনতে।

ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা যায়, ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর এই মৌসুমে বিভিন্ন হাট থেকে সুপারি কিনে মজুদ করে রাখে। শুকিয়ে ও পানিতে ভিজিয়ে সুপারি সংরক্ষণ করা হয়। পরে তা দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হয়। এ সুপারি এলসির মাধ্যমে ভারত, ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, ফলন ভালো হলেও ন্যায্যমূল্য পান না চাষিরা। তাই সরকারের কাছে চাষিদের দাবি, বিদেশি সুপারি আমদানি বন্ধ করে দেশের সুপারি বেশি বেশি রপ্তানি করার জন্য। শুকনো সুপারি সাধারণত ফাল্গুন মাস থেকে বিক্রি শুরু হয়ে আষাঢ় মাস পর্যন্ত চলে। শ্রাবণ মাস থেকে কাঁচা সুপারি অগ্রহায়ণ মাস পর্যন্ত চলে। এ সময়ে কৃষকদের হাতে কোনো টাকা-পয়সা থাকে না। তাছাড়া এ সময় কৃষকরা বোরো, গমসহ রবিশস্য চাষে ব্যস্ত থাকে। গাছের সুপারি বিক্রি করে পরিবারের দৈনন্দিন চাহিদা মিটিয়ে কৃষি কাজে লাগাতে পারে এ টাকা।

কৃষি অফিসের কর্মকর্তা আবু হেনা মো. জাফর জানান, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সুপারির ফলন ভালো হয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার উৎপাদন বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চাষিদের পরিশ্রম, কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার ফলন ভালো হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সুপারির উৎপাদন ও বিক্রি চলবে।

ফার্মসএন্ডফার্মার২৪/জেডএইচ

আরও পড়ুন...

মসলা গবেষনা কেন্দ্র

বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রে চলছে মসলার নতুন জাত উদ্ভাবন

প্রকৃতির একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান মসলা গবেষণা কেন্দ্রটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত স্থায়ী। এটি বাংলাদেশ …