৮ অগ্রহায়ন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯
Home / কৃষি বিষয়ক / বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রে চলছে মসলার নতুন জাত উদ্ভাবন

বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রে চলছে মসলার নতুন জাত উদ্ভাবন

মসলা গবেষনা কেন্দ্র

প্রকৃতির একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান মসলা গবেষণা কেন্দ্রটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত স্থায়ী। এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে ৭টি কেন্দ্রের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র অন্যতম কেন্দ্র। এই কেন্দ্রটি বগুড়া শহর হতে প্রায় ১৮ কি. মি. উত্তরে ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের পার্শ্বে শিবগঞ্জ, উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নে অবস্থিত। ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এবং ১৯৯৬ সাল হতে মসলা ফসলের উপর গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়

মিশন ও ভিশন
কৃষিজাত দ্রব্যাদি গুলোর মাঝে একটি অন্যতম দ্রব্য হলো মসলা। এই মসলা গবেষণা কেন্দ্রটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিলো, দেশেই উৎপাদন বাড়িয়ে বিদেশ থেকে মসলার আমদানি কমিয়ে আনা। প্রতি বছরে ৩২ লাখ মেট্রিক টন মসলার চাহিদার বিপরীতে বাংলাদেশে মসলার উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ১৮ লাখ মেট্রিক টন। এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা পূরণের লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠা করা হয় দেশের একমাত্র মসলা গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠানটি।

ভিশন
মসলা জাতীয় ফসলের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিকরণ।

মিশন

মসলা জাতীয় ফসলের উচ্চ ফলনশীল, পুষ্টিমান সম্পন্ন ও প্রতিকুল পরিবেশ সহিষ্ণু।
জাত উদ্ভাবন মসলা জাতীয় ফসলের উন্নত, আধুনিক ও টেকসই উৎপাদন প্রযুক্তি।
উদ্ভাবন ও লাগসই ফসল বিন্যাস নির্ধারণ।
মসলা জাতীয় ফসলের পরিবেশ বান্ধব বালাই দমন ব্যাবস্থাপনা উদ্ভাবন।
মসলা জাতীয় ফসলের পুষ্টি ও পানি ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি।
মসলা জাতীয় ফসলের পরিবেশবান্ধব সংরক্ষণ প্রযুক্তি উদ্ভাবন ।
মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে লাগসই কৃষি যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন ।
ফসল সংগ্রহোত্তর ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনার জন্য লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন ।
উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তিসমূহ হস্তান্তরের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও মসলা ফসলের বাজার ব্যবস্থাপনা সমীক্ষা করা

 

গবেষণা কার্যক্রম পরিধিঃ

ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে মসলার গবেষণা। বর্তমানে এই মসলা গবেষণা কেন্দ্রটিতে এ পর্যন্ত প্রায় ৪২ টি দেশি বিদেশী মসলা ফসলের উপর গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে । দেশের একমাত্র এই মসলা গবেষণা কেন্দ্রটিতে, মসলা গবেষণা কার্যক্রমে নিয়োজিত বৈজ্ঞানিকরা নিরলস প্রচেষ্টা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে ১৭টি মসলা জাতীয় ফসলের উপর এ পর্যন্ত সর্বমোট ৩৬টি জাত এবং বিভিন্ন ধরণের টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবিত করেছে ।মসলা গবেষণা কেন্দ্রটির আয়তন প্রায় ২৮ হেক্টর যার মধ্যে একটি বড় অংশে (১৮ হেক্টর )জমিতে বিশাল পরিসরে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কেন্দ্রটিতে রয়েছে ৩টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ৭টি উপকেন্দ্র। এই ৩ টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৭টি উপকেন্দ্র নিয়ে ৩০টিরও বেশি দেশি-বিদেশি মসলার উপর গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বেশিরভাগ মসলাই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। মূলতঃ এই আমদানি নির্ভরতা কমাতে বগুড়ায় প্রতিষ্ঠা করা হয় মসলা গবেষণা কেন্দ্রটি।

আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্র সমূহঃ

পূণার্ঙ্গ এই মসলা গবেষণা কেন্দ্রটির রয়েছে তিনটি আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র । এই তিনটি আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র হলো- মাগুরা, কুমিল্লা ও গাজীপুর । আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র তিনটিতেও চলছে বিভিন্ন প্রকার মসলার গবেষণা কার্যক্রম ।

উপ-আঞ্চলিক মসলা গবেষণা কেন্দ্র সমূহঃ আবহাওয়া ও মাটির গঠন আলাদা হওয়ায় এবং মসলার ব্যাপক চাহিদা থাকা ও আরো বড় পরিসরে মসলার গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে এই কেন্দ্রের আওতায় খাগড়াছড়ি, কুমিল্লা, মাগুরা, সিলেটের জৈন্তাপুর, লালমনিরহাট, ফরিদপুর ও জয়দেবপুরে গবেষণা উপকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। তবে সময়ের তুলনায় গবেষণা কেন্দ্রটির আরো অবদান রাখার সুযোগ ছিলো বলে মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন কৃষি গবেষকরা।

মসলা গবেষণা কেন্দ্রে উদ্ভাবিত জাত সমূহঃ

এখানে এ পর্যন্ত ১৪টি মসলার ৩১টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। দেশের এই একমাত্র মসলা গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি গ্রীষ্মকালীনসহ পেঁয়াজের মোট ৫টি জাত উদ্ভাবন করেছে। উদ্ভাবিত অন্যান্য মসলার জাত গুলো হলো বারি মৌরি-১, বারি মৌরি-২, বারি পিঁয়াজ-২, বারি বিলাতি ধনিয়া-১, বারি ধনিয়া-২, বারি হলুদ-১, বারি হলুদ-৩, বারি হলুদ-৪, বারি হলুদ-৫, বারি মরিচ-২, বারি মরিচ-৩, বারি আদা-২, বারি আদা-৩, বারি দারুচিনি-১, বারি পান-৩, বারি তেজপাতা-১, বারি আলুবোখারা-১, এছাড়াও গ্রীষ্মকালীন মসলার জাত হিসাবে বারি পিঁয়াজ-৫, বারি রসুন-৩, বারি রসুন-৪, বারি পাতা পিঁয়াজ-১। এখানকার বিজ্ঞানীরা সফলতা দেখিয়েছেন আরো ৬ প্রকার মসলার চাষে। গবেষণা কেন্দ্রটিতে দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা সহ আরো অন্যান্য মসলা ফসলের চাষ পদ্ধতি নিয়েও কাজ চলছে।

মসলা গবেষণা গবেষণা কেন্দ্রে গবেষণাধীন মসলার জাত সমূহঃ

বর্তমানে এই মসলা গবেষণা কেন্দ্রটিতে বেশ কয়েকটি মসলার জাত গবেষণাধীন রয়েছে যেগুলো হলো- একাঙ্গী, চুইঝাল, শলুক, তেজপাতা, রাঁধুনী, জোয়ান, ফিরিঙ্গি, চুঁইঝাল, একাঙ্গি, পিপুল, শঠি, দই রং, বচ, পুদিনা, পোলাও পাতা, লেমনগ্রাস, আম আদা, মিঠা তুলশি, পান সুপারি, জিরা, কাবাবচিনি, চিভস,অলস্পাইস, কারিপাতা, পান বিলাস, লবঙ্গ, পেস্তা, বাদাম, জয়ফল- দারুচিনি।

উদ্ভাবিত প্রযুক্তির তালিকা (৬৬)

১। মরিচ, পেয়াঁজ এর বীজতলা ও নার্সারী ব্যবস্থাপনা।
২। মরিচের উৎপাদন কলাকৌশল, ফসল সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ।
৩। পেঁয়াজ ও রসুনের উৎপাদন কলাকৌশল, ফসল সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি, বীজ উৎপাদন কলাকৌশল, সংরক্ষণ গুদামজাতকরণ।
৪। আদা ও হলুদের উৎপাদন, প্রযুক্তি ও সংরক্ষণ।
৫। আন্তঃ ফসল হিসাবে আখের সাথে পেঁয়াজ/রসুনের চাষ।
৬। আন্তঃ ফসল হিসাবে আলুর সাথে পেঁয়াজ/রসুনের চাষ।
৭। আন্তঃ ফসল হিসাবে আলুর সাথে রসুন ও পটলের চাষ।
৮। আন্তঃ ফসল হিসাবে মূলার সাথে মরিচের চাষ।
৯। আন্তঃ ফসল হিসাবে মরিচের সাথে পেঁয়াজের চাষ।
১০। আন্তঃ ফসল হিসাবে কলা, নারিকেল, সুপারি, পেয়ারার সাথে আদা/হলুদের চাষ।
১৭. গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের কিউরিং সময় ও নেকের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ
১৮. মরিচের চুষি পোকা ও মাকড়ের সমন্বিত দমন পদ্ধতি
১৯. পেঁয়াজের সাথে আন্তঃফসল হিসেবে গাজর চাষ করে চুষি পোকা দমন
২০. আদার পাউডার তৈরী
২১. ঢিবি (জরফমব)পদ্ধতিতে আদা রোপণের উন্নত প্রযুক্তি
২২. মুখী কচুর সাথে শীতকালীন পেঁয়াজের আন্তঃফসল চাষ
২৩. ধনিয়ার কান্ড ফোলা রোগের সমন্বিত দমন
২৪. বিনা চাষে মালচ ব্যবহার করে মান সম্পন্ন রসুন উৎপাদন
২৫. বারি মরিচ-২ ও বারি মরিচ-৩ উৎপাদনের আধুনিক কলাকৌশল
২৬. বারি হলুদ-৪ ও বারি হলুদ-৫ উৎপাদনের আধুনিক কলাকৌশল
২৭. বারি পাতা পেঁয়াজ-১ এর উৎপাদন কলাকৌশল
২৮. বারি আলুবোখারা-১ এর উৎপাদন কলাকৌশল
২৯. বারি বিলাতি ধনিয়া-১ এর উৎপাদন কলাকৌশল
৩০. চারার মাধ্যমে হলুদ উৎপাদন
৩১. মরিচের ফলছিদ্রকারী পোকার সমন্বিত দমন পদ্ধতি
৩২. গ্রীষ্মকালীন মরিচ ও পেঁয়াজের আন্তফসল চাষ
৩৩. সেচের মাধ্যমে পেয়াজের মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন
৩৪. আলুবোখারার অংগজ বংশ বিস্তারে গুটি কলমের সময় ও হরমোন মাত্রা
৪৯. পেঁয়াজের বীজ ফসলে পার্পল ব্লচ রোগ দমন পদ্ধতি
৫০. কন্দ উৎপাদনে পেঁয়াজের র্পাপল ব্লচ ও স্টেমফাইলিয়াম ব্লাইট রোগ দমন
৫১. পেঁয়াজ কন্দের ফলন বৃদ্ধিতে সঠিক সেচ পদ্ধতি
৫২. সঠিক দুরত্বে চারা রোপণ ও সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ করে মরিচের ফলন বৃদ্ধি
৫৩. সঠিক মাত্রায় সালফার প্রয়োগের মাধ্যমে পেঁয়াজের ফলন বৃদ্ধি
৫৪. সঠিক সময়ে রোপণ করে পেঁয়াজের বীজের ফলন ও সজীবতা বৃদ্ধি
৫৫. চুন এবং বোরন প্রয়োগে রসুনের ফলন এবং সংরক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি
৫৬. বীজ শোধন ও মাটিতে চুন প্রয়োগের মাধ্যমে আদার কন্দ পঁচা রোগ নিয়ন্ত্রণ
৫৭. জৈব মালচিং এর মাধ্যমে হলুদের উৎপাদন বৃদ্ধি
৫৮. গৌণ পুষ্টি উপাদানেরর মাধ্যমে মরিচের উৎপাদন বৃদ্ধি
৫৯. গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন কলাকৌশল
৬০. সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আদার কন্দ পঁচা রোগ নিয়ন্ত্রণ
৬১. আদা উৎপাদনের পদ্ধতি ও বীজের আকার
৬২. সঠিক মাত্রায় নাইট্রোজেন ও পটাশিয়াম প্রয়োগ করে আদার ফলন বৃদ্ধি
৬৩. হলুদের ছত্রাকজনিত কন্দ পঁচা রোগ নিয়ন্ত্রণ
৬৪. শলুক ফসলের সারের মাত্রা
৬৫. প্রাইমিং ও হরমোন প্রয়োগে বিলাতি ধনিয়া বীজের অংকুরোদ্গম হার বৃদ্ধি করা
৬৬. সঠিক পরিমাণে নাইট্রোজেন ব্যবহার এবং সঠিক সময়ে পেঁয়াজ কর্তন করে কন্দ উৎপাদন এবং গুণগত মান বৃদ্ধি ।

মসলা গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক প্রদত্ত সেবার তালিকা সমূহঃ

বর্তমানে মসলা গবেষণা কেন্দ্র কতৃক মসলা গবেষণা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকার সেবাদান কার্যক্রম পরিচালিত করছে ।
১) বিভিন্ন মসলা জাতীয় ফসলের প্রজনন বীজ সরকারী প্রতিষ্ঠান (বিএডিসি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ইত্যদি), বেসরকারী সংস্থা এবং কৃষক পর্য়ায়ে বিতরণ ।
২) লিফলেট, মেনুয়াল প্রভৃতির মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝে উদ্ভাবিত মসলা জাতীয় ফসলের জাত ও প্রযুক্তি সম্পর্কে অবহিত করণ।
৩) মাঠ দিবস ও কৃষক প্রশিক্ষণ প্রদান।
৪) মতবিনিময় সভা, প্রশিক্ষণ ও ওয়ার্কশপ আয়োজনের মাধ্যমে সরকারী, বেসরকারী পর্যায়ে কর্মরত উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দের মাঝে উদ্ভাবিত মসলা জাতীয় ফসলের জাত ও সরকারি বিধিমালা অনুসারে মসলা ফসল চাষাবাদ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রযুক্তি পরামর্শ প্রদান করা হয়।
৫) সরেজমিনে মাঠ পরিদর্শণ বা টেলিফোন আলাপনের মাধ্যমে কৃষকের সমস্যা সমাধান প্রদান।৬) প্রাকৃতিক দূর্যোগ কবলিত এলাকায় মসলা জাতীয় ফসলের বীজ ও চারা প্রদানের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান ইত্যাদি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
১. পরিবর্তনশীল জলবায়ু মোকাবিলা করার জন্য স্বল্পসময়ে অধিক উৎপাদনক্ষম ও উচ্চ গুণাগুণ সম্পন্ন জাত, উন্নত উৎপাদন পদ্ধতি ও মান সম্পন্ন বীজ উৎপাদন।
২. ফসল সংগ্রোহত্তর ও সংরক্ষণ জনিত ক্ষতি কমানোর কলাকৌশল উদ্ভাবন।
৩. জিরা, এলাচ ও দারুচিনির জাত উন্নয়ন।
৪. পেঁয়াজ ও মরিচের হাইব্রিড জাত উন্নয়ন এবং মৌসুমী জলাবদ্ধতা সহিষ্ণু মরিচের জাত উন্নয়ন।
৫. মসলা ফসলের পরিবেশ বান্ধব সংরক্ষণ ও সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন করে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো।
৬. গুরুত্বপূর্ণ মসলা ফসলের উচ্চ মূল্যবান উদ্বায়ী তেল, অলিওরেজিন, অত্যাবশ্যকীয় তেল নিষ্কাশন, মাত্রা নিরুপণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং সংরক্ষণজনিত প্রযুক্তি উদ্ভাবন।
৭. আদা, হলুদ, মরিচ ও ধনিয়া পাতার মাটিবিহীন চাষ এবং মসলাভিত্তিক ফসলধারা/আন্তফসল চাষ ।
৮. স্বল্পমুল্যের রসুন, আদা এবং হলুদ রোপণ, কর্তন ও বাছাইকরণ যন্ত্র উদ্ভাবন।
৯. চর, লবণাক্ত, খরা, বরেন্দ্র, পাহাড়, হাওড় এলাকা উপযোগী মসলার জাত উন্নয়ন, চাষ সম্প্রসারণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করে কৃষকের জীবনযাত্রার মান ও পুষ্টি উন্নয়ন।
১০. বসতবাড়ীর আঙ্গিনা, ছাদ, নতুন ফল বাগান, পতিত জমি উপযোগী মসলার জাত ও প্রযুক্তি মডেল উদ্ভাবন।
১১. গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত উন্নত প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে উপযোগীতা যাচাই, প্রশিক্ষণ, প্রকাশনা ও প্রচারের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে সম্প্রসারণ করা
ফার্মসএন্ডফার্মার২৪/জেডএইচ

আরও পড়ুন...

পাটের ঐতিহ্য ফেরার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে

বার বার কাঁচাপাট রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণেই দেশে পাট ব্যবসায় ধস নামছে।। পাট ব্যবসায় আবার …