দেশের বাজারে ঢুকছে মিয়ানমারের পেঁয়াজ

440

পেয়াজ

দেশের বৃহত্তম ভোগ্য পণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে এসেছে মিয়ানমারের পেঁয়াজ। ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দামের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে মিয়ানমারের পেঁয়াজ কম মূল্যে হওয়ায় বাজারে প্রভাব ফেলেছে।

গতকাল (১০ সেপ্টেম্বর) খাতুনগঞ্জের আল হাকিম বাণিজ্যালয়ে ভারতের নাসিক জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে বিক্রি হয় ৪০-৪১ টাকা। এর বিপরীতে মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৭ টাকা।

খাতুনগঞ্জের পেঁয়াজের বড় বাজার হামিদউল্লাহ মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, ঈদুল আজহার পর থেকে ভারতের পেঁয়াজের দাম বাড়ছে ঠিক এ সময়ই (১০ সেপ্টেম্বর) মিয়ানমারের এক ট্রাক পেঁয়াজ খাতুনগঞ্জের পাইকারি আড়তে ঢুকেছে। দাম কম হওয়ায় আমদানিকারকেরা যদি লাভবান হন, তবে এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খাতুনগঞ্জে সারা বছর ভারত সীমান্তবর্তী হিলি, ভোমরাসহ বিভিন্ন স্থলবন্দর থেকে পেঁয়াজ আসে। বেপারীরা ট্রাকে করে পেঁয়াজ এনে বিভিন্ন আড়তে ভাগ করে দেন। আড়তদার কমিশনের ভিত্তিতে পেঁয়াজ বিক্রি করেন পাইকারিতে।

একজন খুচরা বিক্রেতা বা পাইকারি ক্রেতা আড়ত থেকে পেঁয়াজ কিনলে কেজি প্রতি ৩০ পয়সা আড়তদারি দিতে হয়। এছাড়া আড়ত থেকে রিকশা, পিক আপ বা ট্রাকে পেঁয়াজের প্রতি বস্তা তোলা বাবদ কুলিকে দিতে হয় ১৫ টাকা। আড়তদার কেজি প্রতি ৩০ পয়সা কমিশন পেয়ে থাকেন বেপারীর কাছ থেকেও।

তবে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে খাতুনগঞ্জের আমদানিকারকেরা চীন, মিশর, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশে থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেন। মানে ও দামে ভারতের পেঁয়াজের চেয়ে কম হলেও হোটেল, রেস্তোরাঁ, বিয়ে, মেজবানে এ ধরনের পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে।

ফার্মসএন্ডফার্মার২৪/জেডএইচ